সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মিলন গ্রেফতারে
স্টাফ রিপোর্টার
সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও কেন্দ্রিয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনম এহসানুল হক মিলনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতারের পর চাঁদপুর আদালতে হাজির করা হলে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীদের আদালতে ভিড় করতে দেখা যায়। এসময় চাঁদপুর জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত শুক্রবার সাবেক এই মন্ত্রীকে গ্রেফতারের পর আদালতে হাজির করা হবে এই খবর ছড়িয়ে পড়লে সকাল থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা আদালত প্রাঙ্গণে ভিড় জমাতে থাকে। এক পর্যায়ে মিলনকে আদালতে হাজির করা হলে দলীয় নেতাকর্মীরা তার সাথে সাক্ষাতের জন্য ভিড় জমায় ও ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই কর’ বলে স্লোগান দিতে থাকে। এসময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে রীতিমত হীমশিম খেতে হয়। পরে দুপুর ১২টার কিছু সময় পর আদালতের নির্দেশে মিলনকে কারাগারে নিয়ে যায় পুলিশ।
উল্লেখ্য, বিএনপির এই নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভ্যানেটি ব্যাগ চুরিসহ ২৬ টি মামলা চালমান রয়েছে। তার মধ্যে ১৭টি মামলায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ছিলো। অবশ্য এসব মামলায় আদালতে হাজিরা দেয়ার জন্য আ.ন.ম. এহসানুল হক মিলন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেছিলেন এবং গ্রেফতার আতঙ্কে তিনি আদালতে হাজির হননি। অবশেষে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে চট্টগ্রামে এক বন্ধুর বাসা থেকে গ্রেফতার করে।
এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়র মমিনুল হক, মিলনের স্ত্রী নাজমুন নাহার বেবি, বিএনপির কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য সফিকুর রহমান ভূঁইয়া, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাড. সলিম উল্লাহ সেলিম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সফিকুজ্জামানসহ আরো অনেকে।
জানা যায়, ৩টি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালতের বিচারক। আগামি ২৫ নভেম্বর মামলার জামিন শুনানির জন্য তাকে চাঁদপুর আদালতে হাজির করা হবে।
