নিরাপত্তায় চাঁদপুরে পুলিশের নতুন সংযোজন ড্রোন


স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন ইস্যুতে নিরাপত্তা বলয় আরো বেশি জোরদার করতে পুলিশ সুপার জিহাদুল কবিরের উদ্যোগে শক্তিশালী ড্রোন সিকিউরিটি ক্যামেরা সংযোজন করা হয়েছে। গত রোববার জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
তথ্যে বলা হয় গুরুত্বপূর্ণ সভা, বিভিন্ন দিবসের মেলা ছাড়া বিস্তীর্ণ পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকা ও মা ইলিশ সংরক্ষণে অত্যন্ত কার্যকর নজরদারি করার কাজে ও ব্যবহার করা যাবে এই ড্রোন। ড্রোনে আছে হাই রেগুলেশন স্টিল ও ভিডিও ক্যামেরা, মুভি কোয়ালিটির ভিডিও রেকর্ডিংসহ জুমিং সিস্টেম। অন্তত এক কিলোমিটার উপরে উঠে ভিডিও রেকর্ডের সক্ষমতা ছাড়াও প্রায় চার কিলোমিটার ভ্রমণ করতে নজরদারি করতে সক্ষম। ড্রোন ক্যামেরা উড়ন্ত অবস্থায় ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে সক্ষম।
এছাড়া কোন এক কর্মসূচির স্থলের উপরিভাগে উড়ে স্থির হলে নজরদারি করতে সক্ষম হবে এ ড্রোন। ড্রোনটি অনেক উপরে থাকায় যার উপরে নজরদারি হচ্ছে সে বুঝতে পারবে না। এতে নাইট ভিশন ক্যামেরা ও সংযোজন করা সম্ভব পাশাপাশি ভয়েজ ও শব্দবিহীন ভিডিও রেকর্ড করতেও সক্ষম।
এদিকে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করার লক্ষে জেলা পুলিশ আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে এ বছরই প্রথম ড্রোনের মাধ্যমে বর্ষবরনের সকল অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। শহরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কয়েক স্তরের নিরাপত্তার বলয় তৈরি করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছেন। মঙ্গল শোভাযাত্রার সামনে পিছনে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োজিত ছিলো। শহরের প্রতি মোড়ে মোড়ে ছিল পুলিশের বিশেষ নজরদারী চোখে পড়ার মতো।
পুলিশ সুপার মো. জিহাদুল কবির বলেন, আমরা জেলা পুলিশ এই প্রথম চাঁদপুরে ড্রোনের মাধ্যমে বর্ষবরনের সকল অনুষ্ঠানের আইন-শৃঙ্খলার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছি। এই ড্রোনের মাধ্যমে চার পাশের অন্তত ৪ কিলোমিটার এলাকা পর্যবেক্ষণ করা যায়। আইন-শৃঙ্খলা বিঘœকারীকে তাৎক্ষণিক সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা যাবে।
তিনি আরো বলেন, এখন থেকে চাঁদপুর জেলা পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ সকল অনুষ্ঠান সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসবে এবং ড্রোনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান স্থলসহ আশপাশ পর্যবেক্ষন করা হবে। বর্তমানে প্রযুক্তি নির্ভরবিশে^ আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে প্রযুক্তির ব্যবহার কার্যকরি পদক্ষেপ বলে মনে করছি।