
স্টাফ রিপোর্টার :
চাঁদুপর জেলার প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা পুরাণবাজারে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষে কমিউনিটি পুলিশ সদস্য, শ্রমিক, ব্যবসায়ী ও নারীসহ ৭জন আহত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে পুরাণবাজার ট্রাকরোড়স্থ চেম্বার ভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- কমিউনিটি পুলিশ অঞ্চল-২ এর সদস্য ও মোম ফ্যাক্টরী এলাকার আব্দুল বারেক প্রধানীয়া (৫৫), পুরাণবাজার মৌলভী ঘাটের ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ পাটওয়ারী (৫৫) ও তার স্ত্রী মর্জিনা বেগম (৪৫), পুরাণবাজার ট্রাক ঘাটের শ্রমিক ভুট্টু প্রমুখ। আহতদের মধ্যে কমিউনিটি পুলিশ অঞ্চল-২ এর সদস্য আব্দুল বারেক প্রধানীয়া, নুর মোহাম্মদ পাটওয়ারী ও মর্জিনা বেগম চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে।
এলাকাবাসী জানায়, পুরাণবাজার মৌলবী ঘাটে মালামাল লোড-আনলোড করার সময় শ্রমিক ভুট্টু ও সহিদুল্লাহর বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ পাটওয়ারী জড়িয়ে যায়। পরে অন্যান্য শ্রমিকরা এক হয়ে ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদ পাটওয়ারীর উপর হামলা চালায় এবং শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে চেম্বার ভবনের সামনে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করে। এ ঘটনার জের ধরে ট্রাক ঘাটে কমিউনিটি পুলিশ অঞ্চল-২ এর সদস্য আব্দুল বারেক প্রধানীয়া দায়িত্বরত অবস্থায় ইট-পাটকেলের আঘাত ও মার-ধরে আহত হয়।
এ বিষয়ে আহত ব্যবসায়ী ও জেলা তাঁতী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ পাটওয়ারী জানান, মৌলভী ঘাটে শ্রমিক সহিদ উল্যাহ ও ভুট্টুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এসময় আমি বিষয়টি জানতে ঘটনাস্থলে গেলে শ্রমিকরা আমার সাথে খারাপ আচরণ করেন। এ নিয়ে আমাদের সাথে বাক-বিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে বাজারের ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন মো. বাবরের নির্দেশে শ্রমিকরা আমার উপর হামলা চালায় এবং স্থানীয় মোবারকের ছেলে সোহাগ, আলমগীরসহ অজ্ঞাতরা আমার বসতঘর ভাঙচুর করে। তারা আমার স্ত্রীর হাত ভেঙে ফেলে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
কমিউনিটি পুলিশ অঞ্চল-২ এর সদস্য আব্দুল বারেক প্রধানীয়া জানায়, আমি ট্রাক ঘাটে দায়িত্ব পালন করছিলাম। এসময় নুর মোহাম্মদ পাটওয়ারীর ছেলে নজরুল, তৈয়ব আলী ও কামরুলসহ কয়েকজন আমার উপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এক পর্যায়ে তারা আমাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। আমি এ ঘটনার কিছুই জানি না। এ বিষয়ে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
