ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
ফরিদগঞ্জে স্বামীর বিরুদ্ধে নিজের ঔরষজাত মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে স্ত্রীর মামলা দায়ের। গত রোববার রাতে স্ত্রী মুক্তা বেগম বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় এই মামলাটি দায়ের করেছে। এরপরই পুলিশ মনির হোসেনকে আটক করে। রোববার রাতেই উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাড়ি থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। পরে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ তাকে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করে। অপরদিকে ঘটনার শিকার মেয়েটিকে পুলিশ উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষা ও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দী সম্পন্ন করার জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করেছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ১৫ বছর আগে উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃত সেকান্দর আলীর ছেলে মনির হোসেনের সাথে ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার মুক্তা বেগমে বিয়ে হয়। তাদের ২ মেয়ে ও ১ ছেলে রয়েছে। তারা স্বপরিবারে ঢাকায় বসবাস করতো। মহামারি করোনার কারণে তারা বর্তমানে নিজেদের বাড়িতে অবস্থান করছিল। গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে স্ত্রী মুক্তা বেগম বাড়িতে না থাকার সুযোগে মনির হোসেন ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া তার মেয়েকে ধর্ষণ করে। ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রী মুক্তা বেগম বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে। এরপরই পুলিশ মনির হোসেনকে থেকে আটক করে। পরে পুলিশ মনিরকে সোমবার সকালে চাঁদপুর আদালতে প্রেরণ করে এবং ঘটনার শিকার মেয়েটিকে উদ্ধার করে ডাক্তারি পরীক্ষা ও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দী সম্পন্ন করার জন্য চাঁদপুর প্রেরণ করে।
অপরদিকে আটক মনির হোসেন এবং সেলিম হোসেন ও মরিয়ম বেগম নামের তার আত্মীয়রা জানায়, তার স্ত্রীর সাথে বনিবনা না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। ইতোপূর্বে তার স্ত্রী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে দু’বার মামলা দিয়ে জেল খাটিয়েছে।
এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রকিব মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের ও মনির হোসেনকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০।
