মৈশাদীতে অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কাজ চলছে

সজীব খান
চাঁদপুর সদর উপজেলার মৈশাদী ইউনিয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের ৪০ দিনের প্রকল্পের কাজ চলছে। এ প্রকল্পে মৈশাদীতে ২য় পর্যায়ের ৪টি চলমান প্রকল্প রয়েছে। প্রকল্পগুলো হচ্ছে ২নং ওয়ার্ডের মৈশাদী সালমান ফার্সি তফিজুল কোরআন মাদ্রাসা হতে ডাক্তার বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত, ৪নং ওয়ার্ডের আহমেদ মালের বাড়ি থেকে পীর সাহেবের মসজিদ পর্যন্ত রাস্তামেরামত, ৮নং ওয়ার্ডের হামানকর্দ্দি ছলেমানের দোকান হতে মুন্নাফ মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত, ৯নং ওয়ার্ডের হামানকর্দ্দি শাহতলী বাজার হতে সহিদ গাজীর বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মেরামত। এসব প্রকল্পের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
দেশের গ্রামীণ জনপদের উন্নয়ন ও অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থানের জন্য বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থানের বাস্তবায়ন করেছে। মৈশাদী ইউনিয়নে সে প্রকল্প ব্যাপকহারে কাজ করছে।
মৈশাদীতে দ্বিতীয় কিস্তির ৪০ দিনের প্রকল্পের জন্য ১০ লাখ ৭২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যার বিপরিতে শ্রমিক রয়েছে ১ শ’ ৩৪ জন। এর মধ্যে ২নং ওয়ার্ডে ৩৪ জন শ্রমিকের জন্য ২ লাখ ৭২ হাজার টাকা, ৪নং ওয়ার্ডে ৩৪ জন শ্রমিকের জন্য ২ লাখ ৭২ হাজার টাকা, ৮নং ওয়ার্ডে ৩৩ জন শ্রমিকের জন্য ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা, ৯নং ওয়ার্ডের ৩৩ জন শ্রমিকের জন্য ২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্পের কাজের ব্যাপক অগ্রগতি হওয়ায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৈশাদীতে চলমান প্রকল্পগুলোর শ্রমিক ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের দেয়া নিয়মানুসারে চলছে।
মৈশাদী ইউপি সচিব আবু বকর মানিক বলেন, সরকারের বেঁধে দেয়া নিয়মেই মৈশাদীতে প্রতিনিয়ত কাজ হচ্ছে। সরকার গ্রামীণ জনপদ উন্নয়নের জন্য সরকার ৪০ দিনের প্রকল্পের কাজ চালু করেছে। সে প্রকল্প যাতে সঠিক নিয়মে হয় সেদিকে খেয়াল রেখেই কাজ করা হচ্ছে। উপজেলা পিআইও ও ইউপি চেয়ারম্যান সব সময় কাজের মনিটরিং করে কাজের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মানিক বলেন, বর্তমান সরকারের প্রতিটি প্রকল্প মৈশাদীতে যথানিয়মে হচ্ছে। মৈশাদীতে যে কোন প্রকল্পের কাজে অনিয়ম হওয়ার কোন প্রকার সুযোগ নেই। মৈশাদীকে একটি আধুনিক ডিজিটাল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ার স্বপ্ন নিয়ে অভিভাবকের আসনে বসেছি। সে স্বপ্ন নিয়েই কাজ করছি।