রশিদ মেম্বারের উন্নয়নে আলোকিত ফরিদগঞ্জের সুবিদপুর গ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার
এক সময়ের অবহেলিত জনপদে ছিলনা রাস্তা, ঘাট, ব্রিজ, কালভার্টসহ সরকারি নানা উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। সেই গ্রামে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির একান্ত প্রচেষ্টায় এসব উন্নয়নের পাশাপাশি কৃষি যন্ত্রপাতি, সেচ পাম্প, ড্রেন, ব্রিজ, কালভার্ট থেকে শুরু করে সোলার লাইটে এখন আলোকিত পুরো গ্রাম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফরিদগঞ্জের সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড অবহেলিত সুবিদপুর গ্রামের জনপদ গত প্রায় ৪ বছরে ব্যাপক উন্নয়নের চিত্র চোখে পড়ে। এক সময় যেখানে একটু বৃষ্টি হলে চলাচলের বাঁধা হয়ে দাঁড়াতো সেখানে রাস্তা মাটি কাটার ফলে প্রায় দেড় কিলোমিটার পাকা রাস্তায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমে যায়।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলহাজ আ. রশিদ জানান, বর্তমান সরকারের গত ৪ বছরে সুবিদপুর গ্রামে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। বিশেষ করে, কোন্দার বাড়ি হতে কাশারী বাড়ি পর্যন্ত নতুন রাস্তা, ছাড়া বাড়ি থেকে কালীদাস বাড়ি পর্যন্ত নতুন রাস্তা, হাজী বাড়ি থেকে রামার বাড়ি পর্যন্ত নতুন রাস্তা, পুরান বাড়ি হয়ে মোল্লা বাড়ি পর্যন্ত নতুন এ ৪টি রাস্তা মাটি কাটার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে।
তাছাড়া মোল্লা বাড়ি থেকে ওয়াবদা পর্যন্ত প্রায় ২শ’ ফুট ড্রেন নির্মাণ, কুয়ার জোরা নামে প্রায় ২৬০ ফুট নতুন ড্রেন নির্মাণের কাজ করা হয়েছে। মোল্লা ও মাইজের বাড়ির সামনে দুইটি ব্রিজ নির্মান। গ্রামের মসজিদ, মাদ্রাসা ও বাড়ির মোড়ে মোড়ে প্রায় ১৫ টি সোলার লাইটিং স্থাপন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় নতুন দেড় কিলোমিটার রাস্তা পাকা করা হয়েছে। ৫টি ডিপ কল বসানো হয়েছে।
তাছাড়া বয়স্ক ও বিধবা ভাতার ব্যবস্থাগ্রহণ করায় এখন আর এ ধরনের ভাতাভোগীর সংখ্যা নেই বললেই চলে। সব মিলে এক সময়ের অবহেলিত গ্রাম এখন রাতের আলোতেও মানুষ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চলাচল করতে পারছে। এছাড়া করোনা মহামারী সময়ে ব্যক্তিগত ও মোল্লা ট্রাস্টের মাধ্যমে প্রায় ১২শ’ পরিবারকে সাহায্য সহযোগিতা করা হয়।
সুবিদপুর গ্রামের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. শামসুল হক পাটোওয়ারী বলেন, ইউনিয়নের সবচেয়ে অবহেলিত গ্রাম ছিল সুবিদপুর। গত কয়েক বছরে বর্তমান সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়ায় গ্রামের দৃশ্য পাল্টে যায়। এজন্য আমরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারের উন্নয়নে সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
এ বিষয়ে সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাও. শরাফতউল্ল্যা বলেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ আমার পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে দেয়া হয়। তার মধ্যে অন্যতম সদস্য আ. রশিদ, তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ও বেশ কিছু কাজ বেশি করায় গ্রামবাসী তার সুফল ভোগ করছে।
২২ ডিসেম্বর, ২০২০।