হাজীগঞ্জে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে তিন কিশোর আহত

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে শাহরিয়ার (১৪), রাপী (১৫) ও জিল্লুর রহমান (১৫) নামের তিন কিশোর আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত শাহরিয়ার ও রাপীকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সাতবাড়িয়া নামক স্থানে চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুরমুখী সাগরিকা ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে এ তিন কিশোর আহত হয়।
গুরুতর আহত শাহরিয়ার কচুয়া উপজেলার জগৎপুর গ্রামের তাজু মেম্বার বাড়ির দেলোয়ার হোসেনের ছেলে ও রাপী শাহরাস্তি উপজেলার ভাটনিখোলা গ্রামের ছৈয়াল বাড়ির আব্দুল হানিফের ছেলে এবং জিল্লুর রহমান একই বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে। জিল্লুরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তারা বিজয় মেলা দেখার উদ্দেশ্যে বিনা ভাড়ায় ট্রেনের ছাদে চাঁদপুর যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হয়।
আহত কিশোররা জানায়, চাঁদপুরে বিজয় মেলা দেখার উদ্দেশ্যে শাহরাস্তি উপজেলার মেহের রেলস্টেশন থেকে ট্রেনের ছাদে করে তারা চাঁদপুর যাচ্ছিল। হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল রেলস্টেশন পার হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরেই তারা একটি ক্যাবল তারের সাথে বাড়ি খেয়ে ট্রেনের ছাদ থেকে নিছে পড়ে যায়। বিনা ভাড়ায় চাঁদপুর যাওয়ার জন্য ট্রেনের ছাদে উঠেছে বলে তারা জানায়।
আহতদের উদ্ধারকারী যুবক আলামিন জানান, চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথে সাতবাড়িয়া এলাকায় চাঁদপুরমূখী সাগরিকা ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে তিন কিশোর আহত হয়। দেখতে পেয়ে আমি ও বন্ধু শাহাদাত ঘটনাস্থলে ছুটে যাই এবং আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। পরে তাদের কাছ থেকে মোবাইল নম্বর জেনে, তাদের পরিবারকে জানাই।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স্রের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আহমেদ তানভির হাসান জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে এবং গুরুতর আহত শাহরিয়ার ও রাপীকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেপার করা হয়েছে।
চাঁদপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সারোয়ার আলম জানান, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপর বিভিন্ন রেলস্টেশনে কর্মকর্তাদের অগোচরে ট্রেনের ছাদে উঠে যাত্রীরা। অবৈধ ক্যাবল তারের বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়টি রেলওয়ের ইঞ্জিনিয়ার বিভাগ দেখে। বিষয়টি আমরা তাদের জানিয়েছি।