বিশ্বের একমাত্র ফ্লাইং আই হসপিটাল মাজহারুল হক বিএসএসবি চক্ষু হাসপাতাল সেক্রেটারীর অরবিস পরিদর্শন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
বিশ্বের একমাত্র ফ্লাইং আই হসপিটাল- অরবিস এখন বাংলাদেশের চট্টগাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। গত ১৬ নভেম্বর দুপুর আরাইটায় বিশেষায়িত এ বিমানটি চট্টগ্রামে অবতরণ করে। ১৯ নভেম্বর থেকে আগামি ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটি শাহ আমানত আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে অবস্থান করে জটিল চক্ষু রোগীদের সেবা ও চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দেবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে এবং ন্যাশনাল আই কেয়ার ও চট্টগ্রাম আই ইনফার্মারী এন্ড ট্রেনিং কমপে¬েক্সর সার্বিক সহযোগিতায় অরবিস বাংলাদেশের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উড়ন্ত হাসপাতালটি বাংলাদেশে এসেছে। এটি উড়ন্ত হাসপাতালটির দশমবারের মতো বাংলাদেশ এবং চতুর্থবারের মতো চট্টগ্রাম সফর।
বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির যুক্তরাষ্ট্রে এক্রেডিটেশনকৃত এমডি-১০ বিমানটি এবং এর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিগত ২৭ নভেম্বর মাজহারুল হক বিএসএসবি চক্ষু হাসপাতালের অবৈতনিক সাধারণ সম্পাদক এম এ মাসুদ ভূঁইয়া পরিদর্শন করেন এবং অরবিস বাংলাদেশ, অরবিস বাংলাদেশের পার্টনার হাসপাতালসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ, অরবিস হংকং এবং ম্যাকাও দলের প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করেন এবং নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৫ জন ভলেন্টিয়ার বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষক দলটি উড়ন্ত হাসপাতালে এবার ৮টি সাব স্পেশালিটিতে ৩শ’ ১৫ জন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, নার্স, বায়োমেডিকেল টেকনিশায়নকে প্রশিক্ষণ প্রদান করবে। এছাড়া পাহাড়তলী হাসপাতালের মাধ্যমে বাছাইকৃত ২শ’ জনের চক্ষু পরীক্ষা ও ১শ’ ২০ জন চক্ষু রোগীর চোখের অস্ত্রপচারের মাধ্যমে প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে। আর্ন্তজাতিক ফ্যাকাল্টিবৃন্দ জটিল ছানি অপারেশন, শিশুদের ছানি এবং ট্যারা চোখ অপারেশন, সার্জিকেল এন্ড মেডিকেল রেটিনা, রেটিনোপেথি অব প্রিম্যাচুরিটি (আরওপি), কর্নিয়া, এক্সারনাল ডিজিজ, অকুলোপ¬াস্টি এবং অনকোলজির উপর হাতে কলমে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। উক্ত প্রশিক্ষনে মাজহারুল হক বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. জহির উদ্দীন অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ হাসপাতালটি চট্টগ্রামে অবস্থানকালে লো ভিশন, নিউরো অফথালমোলজি, অফথালমিক ডায়াগনস্টিক ইমেজিং, রেসিডেন্ট ট্রেনিং এবং বেসিক লাইফ সাপোর্টের উপর ৫টি কর্মশালার আয়োজন করছে। অরবিস ইন্টারন্যাশনালের আত্মপ্রকাশের তিন বছরের মধ্যে ১৯৮৫ সালে উড়ন্ত হাসপাতালটি প্রথম বাংলাদেশে আসে। সর্বশেষ ২০০৯ সালে এটি বাংলাদেশে সফলতার সাথে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও চিকিৎসা সহকারীদের বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে।