এলজি ইলেক্ট্রনিক্সের তারুণ্যের অগ্রদূত অনুদান সহায়তা পেলো


প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
দেশের বিভিন্ন এলাকায় সমাজ পরিবর্তনের অংশীদার তিন তরুণ সমাজ উন্নয়ন সংগঠনকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বহুজাতিক কোম্পানি এলজি ইলেক্ট্রনিক্স, বাংলাদেশ। মানুষের কল্যাণে কাজ করার ইচ্ছাশক্তির জন্য তাঁদের ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর’ স্বীকৃতিও দেয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কাওরান বাজারে বেস্ট ওয়েস্টার্ন লা ভিঞ্চি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে এ স্বীকৃতি ও সহায়তা প্রদান করা হয়। স্বীকৃতি ও সহায়তাপ্রাপ্ত সংগঠনগুলো হলো- চাঁদপুরের তারুণ্যের অগ্রদূত, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাচ ৯৭, এবং নোয়াখালীর সুবর্ণ আলো গণগ্রন্থাগার।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাডওয়ার্ড কিম বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার তারুণ্যের শক্তি। বাংলাদেশের তরুণরা অনেক উদ্যমী। দেশের-সমাজের নানা সমস্যা সমাধানে তরুণরা সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এমন অনেক কর্মসূচী ইতিমধ্যে সাফল্য ও স্বীকৃতি পেয়েছে। কিন্তু অনেক স্বপ্ন-উদ্যোগ শুধু আর্থিক সক্ষমতা না থাকার কারণে বাস্তবায়িত হতে পারে না। তরুণদের এমন স্বপ্ন বাস্তবায়নের অংশীদার হতে চায় এলজি।
তিনি বলেন, প্রাযুক্তিক উন্নয়ন এবং পণ্যসেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবন যাপনকে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করতে আমরা কাজ করছি। ‘জীবনটা সুন্দর’ এমন স্লোগান ধারণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এলজি। আজ যাদেরকে সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে তাঁরা নিজ নিজ এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে। এলজির সহযোগিতা এবং স্বীকৃতি তাদের পথচলায় গতি আনবে।
অনুষ্ঠানে তারুণ্যের অগ্রদূতের সভাপতি ভিভিয়ান ঘোষ, ব্যাচ ৯৭’র মুখপাত্র হাসান জাবেদ, এবং সুবর্ণ আলো গণগ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পিন্টু রঞ্জন দাসের কাছে আর্থিক সহযোগিতার ব্যাংক চেক হস্তান্তর করেন এলজি ইলেক্ট্রনিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাডওয়ার্ড কিম।
উল্লেখ্য, দেশের নানা প্রান্তে সমাজের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সমাধানে তরুণরা কাজ করতে চায়। তাঁরা অনেক উদ্যোগও গ্রহণ করে। কিন্তু আর্থিক সহযোগিতার অভাবে সেই স্বপ্ন-উদ্যোগ বাস্তবায়িত হতে পারে না। সমাজপরিবর্তনের অংশীদার হতে চাওয়া এ তরুণদের অনুপ্রাণিত করতে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে ‘এলজি অ্যাম্বাসেডর প্রকল্প’ গ্রহণ করা হয়। ফেসবুকে ‘এলজি বাংলাদেশ’ পেজে পরিচালিত একটি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গত জুন থেকে সেপ্টেম্বরে ২৩৭টি প্রকল্প প্রস্তাব জমা পড়ে। ওই প্রস্তাবগুলো থেকে উপযোগিতা, টেকসই গুণাবলী এবং বাস্তবায়নের দক্ষতা বিবেচনায় এই তিনটি সংগঠনের প্রকল্প নির্বাচিত করা হয়।