নারায়ন রবিদাস
ফরিদগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হালিমা খাতুন (৭৫) এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে মারা গেছেন। এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে জবেদ উল্ল্যা মাস্টার মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে বাদী হয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ বিকালে বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। হামলার ঘটনাটি গত ১০ আগস্ট পশ্চিম চরদুঃখিয়া গ্রামে ঘটে।
জানা গেছে, পশ্চিম চরদুঃখিয়া গ্রামের জবেদ উল্ল্যা ও আ. আউয়াল কালু গংদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এই বিরোধকে কেন্দ্র চলতি বছরের ১৮ জুলাই জবেদ উল্ল্যা গংদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় জবেদ উল্ল্যা ও তার মা হালিমা খাতুনসহ ওই পরিবারের ৭জন আহত হয়। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাশেষে বাড়ি আসলে গত ১০ আগস্ট দুপুরে পুনরায় তাদের উপর হামলা করে প্রতিপক্ষরা। এই হামলায় জবেদ উল্ল্যা, মা হালিমা খাতুন, ভাই আমিন উল্লাহ, ভাবি সাহিদা বেগম, ভাতিজা মনজুর হোসেন, ভাতিজি শারমিন আক্তার, নাজমিন আক্তার, খালা আলিমের নেছা আহত হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল মঙ্গলবার সকালে হালিমা খাতুন মারা যান।
সংবাদ পেয়ে থানা পুলিশ বিকালে পোস্ট মর্টেমের জন্য লাশ উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে জবেদ উল্ল্যা মাস্টার বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
জবেদ উল্ল্যা জানান, ১৮ জুলাই হামলার ঘটনায় আমরা আদালতে মামলা দায়ের করি। সেই মামলা দায়েরের পর তারা আবারো ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা করে। পরে আমার মা গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মঙ্গলবার ভোরে মৃত্যুবরণ করেন।
এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রকিব জানান, লাশ উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য চাঁদপুর পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তার ছেলে কর্তৃক একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
১৯ আগস্ট, ২০২০।
