মতলব উত্তরে নদী ভাঙন রোধ প্রকল্পের জিও ব্যাগ ডাম্পিং

নদী তীরবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ ১১টি স্থানে ডাম্পিং
……..মুক্তিযোদ্ধা এম এ কুদ্দুস

মনিরুল ইসলাম মনির
মতলব উপজেলায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের সিপাইকান্দি-ঠেটালীয়া গ্রামের নদী ভাঙন রোধকল্পে ৫০ লাখ ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ে ১৫ হাজার ৮শ’ বালির বস্তা নদীতে নিক্ষেপ ও গণনার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের আহ্বায়ক, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থথাপনা ফেডারেশনের সভাপতি, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, মতলব উত্তর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, মতলব উত্তর উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্নেহাশিস দাস, চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সসদস্য আলহাজ অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুলের প্রতিনিধি নাউরী আহম্মাদীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম তাজুল ইসলাম, পশ্চিম ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ, মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. আলাউদ্দিন, ফতেপুর পুর্ব ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম নবী বাদল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী সালাউদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন সরকার, এসও জামাল হোসেন, এসও সালাউদ্দিন, এসও আতিকুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. জাফর আহমেদ, বিশিষ্ট সমাজ সেবক দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী লিয়াকত আলী প্রধান, ওয়ার্ক এসিস্টেন্ট হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
এমএ কুদ্দুস বলেন, গত বর্ষা মৌসুমে আমাদের বেড়িবাঁধ রক্ষায় পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম এসেছিলেন আমাদের চাঁদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুলের আমন্ত্রণে। ওই সময় বেড়িবাঁধের টরকী, ঠেটালীয়া, সিপাইকান্দি, চরমাছুয়া, জয়পুর নাওভাঙ্গা, একলাছপুর মহনপুর ও সটাকী এলাকায় বেড়ীবাঁধ রক্ষায় বালির বস্তাভর্তি জিও ব্যাগ নদীতে নিক্ষেপ করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ওই সমস্ত এলাকায় চলতি বর্ষা মৌসুমে জিও ব্যাগ নিক্ষেপকরণ কাজ চলমান রয়েছে।
রোববার (১১ অক্টোবর) সিপাইকান্দি-ঠেঁটালীয়া ও দক্ষিণ রামপুর বেড়িবাঁধ রক্ষায় প্রায় ২৪ হাজার বালিভর্তি জিও ব্যাগ গণনা ও ডাম্পিংয়ের কাজ উদ্বোধন করা হয়। সিপাইকান্দি ও ঠেঁটালীয়া গ্রামে ১৫ হাজার ৮শ’ আর দক্ষিণ রামপুর ৮ হাজার বস্তা নিক্ষেপ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, মতলব উত্তর উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ নদী তীরবর্তী ১১টি স্থানে ডাম্পিং কার্যক্রম চলছে। তিনি আরো বলেন, এরপরও স্থায়ীভাবে বড় আকারের সিসি ব্লক নিক্ষেপ করার ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
১২ অক্টোবর, ২০২০।