মতলব উত্তরে বেড়েছে পতাকা তৈরি ও বিক্রি


মনিরুল ইসলাম মনির :
বিজয় দিবস কিংবা যে কোনো উৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে আমাদের জাতীয় পতাকা। ১৬ ডিসেম্বর বাঙালির জাতীয় জীবনে সবচেয়ে বড় বিজয় উৎসবের দিন। শুধু উৎসবের দিনেই নয়, শোকের দিনেও জাতীয় পতাকার সর্বব্যাপী ব্যবহার হয়ে থাকে। ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যা দিবস। এই দু’টি দিনকে সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও মতলব উত্তরের পথে-ঘাটে ছোটখাটো বিভিন্ন দোকানে পতাকা বিক্রি জমে উঠেছে। বিভিন্ন দর্জি দোকানে পতাকা তৈরিতে ব্যস্ত কারিগররা।
এবারও ডিসেম্বর মাসের শুরু থেকেই মতলব উত্তরের ছোট-বড় রাস্তা ও পাড়া-মহল্লায় মৌসুমি ফেরিওয়ালারা পতাকা বিক্রি শুরু করছেন। এদের বেশিরভাগই ঢাকার আশপাশের ভাসমান পেশাজীবী শ্রেণির মানুষ। তেমনি একজন পতাকা বিক্রেতা সায়মন। তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলায়। তিনি জানান, বছরের অন্যান্য সময় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। কোনো দিবস এলেই কয়েকদিন আগ থেকে বিভিন্ন জেলায় গিয়ে পতাকা বিক্রি করেন। তিনি বলেন, বেচাকেনা এখনও জমে ওঠেনি। তবে দু’একদিনের মধ্যে পুরোদমে বিক্রির ধুম পড়বে।
মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর বাজারে পতাকা বিক্রিকালে এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা হয় সায়মনের। তিনি জানান, ৬ ফুট বাই সাড়ে ৩ ফুট একটি পতাকা বিক্রি করেন ১৫০ থেকে ২০০ টাকায়। এ ছাড়া প্রতিটি ১ ফুট স্টিক পতাকার দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা। ৫ ফুট বাই ৩ ফুট পতাকার দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা। হাত ও মাথার ব্যান্ড ১০ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করেন।
অন্যদিকে, আরেক খুদে পতাকা বিক্রেতা মতলব উত্তরের সুজাতপুর বাজারের স্কুলপড়–য়া ছেলে মামুন মিয়া। সে বলে, আমি কোনো সবসময় পতাকা বেচি না, আমার আব্বায় আমারে আইন্না দিছে, এটা বেচার লইগ্গা। বিক্রি কেমন হয়, তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, তিন দিন ধইরা বেচি, দিনে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকার বিক্রি হয়।