
স্টাফ রিপোর্টার :
স্বামী স্বরূপানন্দ পরমহংসদেবের জন্মোৎসব উপলক্ষে শহরের পুরাতন আদালত পাড়াস্থ অযাচক আশ্রমে ২ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শুরু হয়েছে। গত সোমবার চাঁদপুর অযাচক আশ্রম প্রাঙ্গণে ভোর ৫টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আরতি কীর্তন ও অঞ্জলী প্রদান। সকাল ৬টায় পুরাণবাজার শ্রীরামদী গ্রামে হরিওঁ কীর্তনসহ পল্লী পরিক্রমা (র্যালি) বের হয়। সকাল ৮টায় বড়দিন উপলক্ষে সমবেত উপাসনা। বেলা ১১টায় আশ্রম প্রাঙ্গণে প্রেমধ্বনি, শংখ ধ্বনি, উলুধ্বনি সহকারে বিগ্রহ ও বাবামনির পূন্য প্রতিচ্ছবি স্থাপন করা হয়। বিকেল ৪টায় ব্রহ্মগায়ত্রী-গীত ও নিরব নাম জপ যজ্ঞ হয়। সন্ধ্যা ৫টায় সংহিতা পাঠ শেষে স্বরূপানন্দ পরহংসদেবের জন্মোৎসবের অধিবাস দিবসের সমবেত উপাসনা। পরে রাত ৮টায় পুরাণবাজার উদয়ন সংগীত বিদ্যালয়ের পরিবশেনায় স্বরূপানন্দ সংগীত অনুষ্ঠান।
চাঁদপুর অযাচক আশ্রমের কবিরাজ সুখরঞ্জন ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে প্রথম দিনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সম্মিলিত অখ- সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার সরকার, সুশীল সাহা, গোপাল সাহা, সাংবাদিক বিমল চৌধুরী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের জেলা সভাপতি তপন সরকার, সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুশীল সাহা, সাধারণ সম্পাদক লক্ষণ চন্দ্র সূত্রধর, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী মুক্তিযোদ্ধা বিবি দাস, চাঁদপুর অযাচক আশ্রমের সাধারণ সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, জুয়েল কান্তি নন্দু, গৌতম ঘোষ, সুকান্ত দে, সুকুমার রায়, মুন্না সাহাসহ ভক্তবৃন্দ।
এছাড়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায় আশ্রম প্রাঙ্গণে ঊষা কীর্তনাঞ্জলি ও হরিওঁ কীর্তন। সকাল ৮টায় নবীন যুগের নববেদ, অখন্ড সংহিতা পাঠ শেষে অখন্ডমন্ডলেশ্বর মৎ স্বামী স্বরূপানন্দ পরহংসদেবের জন্মদিনের বিশেষ সমবেত উপাসনা। সকাল ১০টায় হরিওঁ কীর্তন সহযোগে নগর পরিক্রমা (র্যালি), সকাল ১১টায় চরিত্র গঠন আন্দোলন শীর্ষক ধর্মীয় সভা। ধর্মসভা শেষে হরিওঁ কীর্তন চলাকালীন দুপুরে মহাপ্রসাদ বিতরণ। সন্ধ্যা ৬টায় বিগ্রহে অঞ্জলি প্রদানান্তে শেষ হবে উৎসবের সকল আয়োজন। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জন্মোৎসবের আনন্দ র্যালির উদ্বোধন করেন চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র আলহাজ নাছির উদ্দিন আহম্মেদ। সকাল ১১ টায় আশ্রম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত ‘চরিত্র গঠন আন্দোলন’ শীর্ষক ধর্মীয় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
