শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ কেন গুলি করলো, জনগণ জানতে চায়
………… শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক
স্টাফ রিপোর্টার
ভোলায় হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা (স.) সম্পর্কে কটূক্তির প্রতিবাদী সমাবেশে পুলিশের গুলিতে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে। গতকাল বুধবার বিকেলে চাঁদপুর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে সমাবেশ সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও কেন্দ্রিয় বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, ভারতের দালালদের আর ছাড় দেয়া হবে না। পুলিশ শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কেন গুলি করবে বাংলার জনগণ জানতে চায়। হিন্দু এক যুবক ফেসবুকে হযরত মোহাম্মদ (স.) সম্পর্কে কটূক্তির করার পর সরকার তা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য বিবৃতি দিয়েছে। ছাত্রলীগ দিয়ে আওয়ামী লীগের কাজ সম্পন্ন করছে। সময় আসছে সহসায় সবকিছুর বিচার হবে।
তিনি আরো বলেন, কেন্দ্র থেকে নির্দেশ এসেছে সব কমিটি পুনঃর্গঠন করার। যারা বিগত সময় সকল আন্দোলন ছিলেন না তাদের কমিটিতে রাখা হবে না। যারা আন্দোলন সংগ্রামে ছিলেন তাদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হবে।
জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মুনির চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাড. সেলিম উল্যাহ সেলিম, মাহবুব আনোয়ার বাবলু, দেওয়ান মো. সফিকুজ্জামান, সেলিমুছ সালাম, ফেরদৌস আলম বাবু, অ্যাড. হারুনুর রশীদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক শাহনেওয়াজ খান, চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. সামছুল ইসলাম মন্টু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাদল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী সেতু, জেলা মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, জেলা ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি গাজী মো. ইমাম হোসেন প্রমুখ। কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা ওমালা দলের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ জাকির হোসেন মৃধা।
এসময় বক্তারা বলেন, হযরত মোহাম্মদ (স.) সম্পর্কে কটূক্তির করায় তৌহিদি জনতা যখন জেগে উঠেছে তখন পুলিশ দিয়ে তৌহিদি জনতার উপর গুলি করা হয়। তাদের বিচার দাবি করছি। আমরা জানি তাদের বিচার হবে না বরং তাদের জামাই আদরে পাহারা দিয়ে রাখছেন। বিএনপির জন্ম হয়েছে হিন্দুস্থানের জুলুম থেকে মুক্তির জন্য। সারাদেশের মুসলমান প্রতিবাদ জানাচ্ছে। কিন্তু প্রতিবাদ জানায়নি শেখ হাসিনা ও তার সরকার। বরং তারা নির্বিচারে গুলি করে ৪ জনকে হত্যা করেছে। জেলা যুবদলের আব্দুর রাজ্জাকসহ ৪ জনকে পোস্টার লাগানোর সময় আটক করে নির্যাতন করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
